রোগ শনাক্তকরণের জন্য সব সময়ে চিকিৎসকের কাছে না-ও যেতে হতে পারে। ঘর থেকেই শুরু হতে পারে সচেতনতার উদ্যোগ। আর তাই নিজের শরীর এবং শরীরের ছোটখাটো পরিবর্তন সম্পর্কে অবগত থাকা দরকার। ঠিক যে ভাবে স্তন ক্যানসারের মতো রোগ নিজে পরীক্ষা করেও বোঝা যায়, তেমনই কখনওসখনও থাইরয়েডের সমস্যা হলে নিজে নিজেও পরখ করা যায়। তার জন্য প্রয়োজন কেবল সতর্কতা।
চিকিৎসকদের মতে, নিয়মিত নিজের শরীর পর্যবেক্ষণের অভ্যাস থাকলে থাইরয়েডের কিছু পরিবর্তন প্রাথমিক পর্যায়েই ধরা পড়তে পারে। তবে এই পরীক্ষা রোগনির্ণয়ের জন্য নয়, বরং কোনও অস্বাভাবিক পরিবর্তন নজরে এলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার জন্য।
সম্প্রতি মেরিল্যান্ড নিবাসী অ্যানেস্থেশিয়োলজিস্ট এবং ইন্টারভেনশনাল পেন মেডিসিনের চিকিৎসক কুণাল সুদ নির্দিষ্ট এক কৌশল শেখালেন থাইয়রয়েড সংক্রান্ত সমস্যা শনাক্ত করার জন্য। অথবা বলা যেতে পারে, সতর্ক হওয়ার কৌশল বাতলে দিলেন তিনি।
আয়নায় মুখ দেখার সময়ে কখনও কি গলার নীচের দিকে ছোট্ট স্ফীতি নজরে আসে? অনেকেই এমন পরিবর্তন প্রথম দিকে গুরুত্ব দেন না। অথচ শরীরের ছোট ছোট বদল অনেক সময়ে থাইরয়েডের সমস্যার আগাম ইঙ্গিত হতে পারে। ধাপে ধাপে শিখে নিন নিয়মটি।
থাইরয়েডের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করার কৌশল—
· প্রথমে একটি আয়নার সামনে দাঁড়ান।
· গলার সামনের নীচের অংশে অর্থাৎ কলারবোনের ঠিক উপরে নজর রাখুন।
· এ বার মাথা সামান্য পিছনের দিকে হেলিয়ে এক ঢোঁক জল খান।
· জল গেলার সময়ে আয়নায় লক্ষ করুন, ওই অংশে কোনও ফোলা, দলা, অস্বাভাবিক উঁচু অংশ বা দু’পাশে অসমতা চোখে পড়ছে কি না।
· নিশ্চিত হওয়ার জন্য একই পদ্ধতি কয়েক বার করা যেতে পারে।
যদি নতুন কোনও ফোলা অংশ বা কোনও পিণ্ড দেখতে পান, তা হলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তবে মনে রাখতে হবে, সব থাইরয়েডের পিণ্ড বাইরে থেকে দেখা যায় না। আবার গলায় যে কোনও দলাই যে থাইরয়েডের সমস্যা, এমনও নয়। অনেক ক্ষেত্রেই তা অন্য কারণেও হতে পারে। তবে কুণাল বলছেন, থাইরয়েডের সমস্যা মূলত মহিলাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। তাই আগেভাগে সতর্ক থাকা উচিত। এমন কোনও পরিবর্তন চোখে পড়া মানেই থাইরয়েডের সমস্যা নয়, কিন্তু সচেতন থাকতে তো ক্ষতি নেই!
চিকিৎসকদের মতে, নিয়মিত নিজের শরীর পর্যবেক্ষণের অভ্যাস থাকলে থাইরয়েডের কিছু পরিবর্তন প্রাথমিক পর্যায়েই ধরা পড়তে পারে। তবে এই পরীক্ষা রোগনির্ণয়ের জন্য নয়, বরং কোনও অস্বাভাবিক পরিবর্তন নজরে এলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার জন্য।
সম্প্রতি মেরিল্যান্ড নিবাসী অ্যানেস্থেশিয়োলজিস্ট এবং ইন্টারভেনশনাল পেন মেডিসিনের চিকিৎসক কুণাল সুদ নির্দিষ্ট এক কৌশল শেখালেন থাইয়রয়েড সংক্রান্ত সমস্যা শনাক্ত করার জন্য। অথবা বলা যেতে পারে, সতর্ক হওয়ার কৌশল বাতলে দিলেন তিনি।
আয়নায় মুখ দেখার সময়ে কখনও কি গলার নীচের দিকে ছোট্ট স্ফীতি নজরে আসে? অনেকেই এমন পরিবর্তন প্রথম দিকে গুরুত্ব দেন না। অথচ শরীরের ছোট ছোট বদল অনেক সময়ে থাইরয়েডের সমস্যার আগাম ইঙ্গিত হতে পারে। ধাপে ধাপে শিখে নিন নিয়মটি।
থাইরয়েডের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করার কৌশল—
· প্রথমে একটি আয়নার সামনে দাঁড়ান।
· গলার সামনের নীচের অংশে অর্থাৎ কলারবোনের ঠিক উপরে নজর রাখুন।
· এ বার মাথা সামান্য পিছনের দিকে হেলিয়ে এক ঢোঁক জল খান।
· জল গেলার সময়ে আয়নায় লক্ষ করুন, ওই অংশে কোনও ফোলা, দলা, অস্বাভাবিক উঁচু অংশ বা দু’পাশে অসমতা চোখে পড়ছে কি না।
· নিশ্চিত হওয়ার জন্য একই পদ্ধতি কয়েক বার করা যেতে পারে।
যদি নতুন কোনও ফোলা অংশ বা কোনও পিণ্ড দেখতে পান, তা হলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তবে মনে রাখতে হবে, সব থাইরয়েডের পিণ্ড বাইরে থেকে দেখা যায় না। আবার গলায় যে কোনও দলাই যে থাইরয়েডের সমস্যা, এমনও নয়। অনেক ক্ষেত্রেই তা অন্য কারণেও হতে পারে। তবে কুণাল বলছেন, থাইরয়েডের সমস্যা মূলত মহিলাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। তাই আগেভাগে সতর্ক থাকা উচিত। এমন কোনও পরিবর্তন চোখে পড়া মানেই থাইরয়েডের সমস্যা নয়, কিন্তু সচেতন থাকতে তো ক্ষতি নেই!
ফারহানা জেরিন